এই মুহূর্তে ক্রীড়া/অনুষ্ঠান অন্যান্য সাহিত্য সম্পাদকীয় নোটিশবোর্ড

E-Paper

প্রসঙ্গ রাজনৈতিক জনসভা: সত্যিই কি সবাই বক্তৃতা শোনেন?

Published on: April 7, 2021 । 8:11 AM

সুইটি রায়[স্থানীয় সংবাদ•ঘাটাল]:সারাবছর নেতা মন্ত্রীদের দর্শন না পাওয়া গেলেও প্রতিবারই ভোট আসলেই শুরু হয়ে যায় প্রচুর জনসভা সেই জনসভা থেকে প্রতিশ্রুতি বিলোনোর বন্যা। আর সে যে দলেরই জনসভা হোকনা কেন প্রতিটি জনসভাতে ভিড়ও হয় প্রচুর। তবে ঠিক কি কারণে এত মানুষ জনসভাগুলিতে ভিড় জমান সেখানেই প্রশ্ন। এখন টিভি এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে প্রায় প্রতিটা সাধারণ মানুষেরই এটা জানা কথা যে নেতাদের প্রতিশ্রুতি কেবল ভোট অব্দিই সীমাবদ্ধ। তারপর যে নেতা ভোটের আগে সাধারণের বাড়িতে এসে পাত পেড়ে ভাত খেয়ে গেছিলেন, ঘুঁটে দেওয়া থেকে ধান ঝাড়া কোনওটাই করতে বাকি রাখেননি ভোটের পরই তাঁর টিকিটির খোঁজ পাওয়াও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে বলে ভোটারদের অভিযোগ। তবুও মানুষ দলে দলে ঝাণ্ডা হাতে জনসভাতে যান। জনসভাগুলি যেন এখন একধরণের মহোৎসব। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে প্রতিটি সভাতেই নেতারা প্রায় একই গতের কথাই বলেন। সাধারণ মানুষ আগে থেকেই জানেন যে কোন নেতা কী বলবেন। সে যে দলের নেতাই হোন না কেন কথার ধরণ বা প্রতিশ্রুতির ধরণ প্রায় একই। তবে নেতারা বক্তৃতা ও প্রতিশ্রুতি দেন বটে কিন্তু শোনেনই বা ক’জন? আর নেতারাই কি মঞ্চ থেকে নতুন কিছু বলেন? আর আগত মানুষরা সকলে কি সত্যিই আন্তরিকভাবে আসেন? যদি আন্তরিকতা নাই থাকে তাহলে আসেন কেন তাঁরা? প্রশ্ন এটাও এই সমস্ত বক্তব্যের কোনও সারবর্তা কি পান সাধারণ মানুষ? একটু ভাবলেই বোঝা যাবে যে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তরই কিন্তু নেতিবাচক। তবুও বেশিরভাগ জনসভাতেই তিলধারণে জায়গা থাকে না। এত মানুষ যে আসেন তার কারণ হয়তো অনেকেরই এতে লুকিয়ে রয়েছে কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ। বক্তব্য শুনতে নয় উপস্থিতি জানিয়ে উপরমহলের চোখে ভালো সাজার জন্যই যান তাঁরা। নিজের সামান্য হলেও লাভের সম্ভাবনা যেখানে আছে সেখান থেকে সেটুকু নিতে তাঁরা বড়ই তৎপর। আবার অনেক সময়ই এলাকার নেতাদের চাপে পড়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেকে বাধ্য হন যেতে। শুধুমাত্র নিজেদের লোকসংখ্যা বাড়ানোর জন্য ভয় বা লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জনসভাতে নিয়ে যাওয়ার দৃষ্টান্ত প্রচুর। কোনও এক দলের জনসভাতে গিয়ে ভুল করে অন্য দলের শ্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটে এইভাবেই। আর এরকম ঘটনা তো এখন আকছার ঘটছে। তবে কিছু একনিষ্ঠ কর্মী থাকেনই যাঁরা হয়তো সত্যিই দলকে ভালোবেসে আসেন সভাগুলিতে। তবে তাঁদের সংখ্যা নিতান্তই কম। বেশিরভাগ মানুষই আসেন নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা চাপে পড়েই।
👆 আমাদের ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলটি লাইক করুন

সুইটি রায়

'স্থানীয় সংবাদ'-এর সাংবাদিক। বাড়ি ঘাটাল শহরে(কুশপাতা ১৭ নম্বর ওয়ার্ড• পশ্চিম মেদিনীপুর)। আমার শহর ঘাটালের যে কোনও খবরই অবিকৃতভাবে সকলের সামনে তুলে ধরাতেই আমার আগ্রহ। •মো: 9732738015/9933998177 •ইমেল: [email protected]

পড়তে ভুলবেন না

বইয়ের টানে স্কুলে স্কুলে লাইব্রেরি ও রিডিং কর্নার, পড়ুয়াদের জন্য স্কুলে স্কুলে নতুন নির্দেশিকা

নাবালকের হাতে স্টিয়ারিংয়ের পরিণতি, রাস্তা ছেড়ে পুকুরে নামল চারচাকা

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নঝুলিতে পড়ল লরি, অল্পের জন্য রক্ষা চালক-খালাসি

দাসপুর পুলিশের বড় সাফল্য: সবজির ট্রের আড়ালে গরু পাচারের চেষ্টা, ট্রাক আটক, উদ্ধার ৯টি গরু পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে গভীর রাতে বড়সড় গরু পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিল দাসপুর থানার পুলিশ। ঘাটাল–পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কের পীরতলা এলাকায় সন্দেহজনক একটি ট্রাককে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ট্রাকটির উপরে সবজির ট্রে সাজানো ছিল। কিন্তু তল্লাশি চালাতেই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সবজির ট্রের নিচে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল গরু। এভাবেই গভীর রাতে গোপনে গরু পাচারের চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ ট্রাকটি থেকে প্রায় ৯টি গরু উদ্ধার করেছে। ঘটনায় ট্রাকের চালককে আটক করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দাসপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং গরুগুলি কোথায় পাচার করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে দাসপুর থানার পক্ষ থেকে।

বর্তমান প্রগতি মার্কেটের জায়গায় কী কী করা যেতে পারে? জনমতে উঠে এল নানান প্রস্তাব

ঘাটালে সারের দাম নিয়ে বিক্ষোভ, নির্ধারিত মূল্যের বেশি টাকায় কিনে কম দামে বিক্রিতে অপারগ ব্যবসায়ীরা