কেয়া মণ্ডল চৌধুরী, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: সমাজ সচেতনতার নিরিখে ঘাটাল থানার দলপতিপুর পেঙ্গুইন ক্লাব জেলার সেরা শিরোপা পেয়েছে। তার কারণ খড়ার দলপতিপুরের পেঙ্গুইন ক্লাবের এই পুজো মণ্ডপ এবার পরিবেশ সচেতনতার অনন্য নজির গড়ে তুলেছে। কৃত্রিম কোনও উপকরণের পরিবর্তে সম্পূর্ণ জীবন্ত লতানো গাছ দিয়ে তৈরি হয়েছে এই অভিনব মণ্ডপ। মণ্ডপের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে মূল কাঠামো—সবটাই সতেজ সবুজ লতাপাতায় আচ্ছাদিত, যা দূর থেকে দেখলে অর্ধবৃত্তাকার সবুজ সুড়ঙ্গের মতো মনে হয়। মণ্ডপের প্রবেশপথ ও প্রাঙ্গণেও সাজিয়ে রাখা রয়েছে ছোট ছোট গাছ।
মণ্ডপটি কেবল পরিবেশবান্ধবই নয়, দৃশ্যগত দিক থেকেও এটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এবং স্নিগ্ধ। থার্মোকল বা অন্য কোনও দূষণকারী পদার্থের ব্যবহার সম্পূর্ণ এড়িয়ে পেঙ্গুইন ক্লাবের কর্মকর্তারা সমাজকে সবুজায়নের বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। কৃত্রিমতার যুগে সম্পূর্ণ সজীব ও জীবন্ত গাছ দিয়ে মণ্ডপ সাজানোর এই অভিনব ভাবনার জেরেই জেলার অন্যতম সেরা পরিবেশবান্ধব পুজোর স্বীকৃতি পেয়েছে দলপতিপুরের এই উদ্যোগ। দর্শনার্থীদের কাছেও এই সবুজ মণ্ডপটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
প্রসঙ্গত, সেরা পুজো, সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ এবং সেরা পরিবেশ সচেতনতার নিরিখে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ১২টি পুজো কমিটিকে এবার ‘দেবী দুর্গা সম্মান-২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি বিভাগেই প্রথম স্থান অধিকার করেছে ঘাটাল মহকুমা। •জেলার সেরা পুজো হয়েছে দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়া সানরাইজ ক্লাব, জেলার সেরা প্রতিমার পুরস্কার পাচ্ছে কুশপাতা পঞ্চপল্লি সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটি, জেলার সেরা মণ্ডপ হিসেবে রাধাকান্তপুর সর্বজনীন দুর্গোৎসব সঙ্ঘ এবং জেলার সেরা সমাজ সচেতনতার নিরিখে ঘাটাল থানার দলপতিপুর পেঙ্গুইন ক্লাব এই পুজোকে।
সত্যিই এই পুজোর পরিবেশটি জেলার সেরা হওয়াই উচিত ছিল








