এই মুহূর্তে ক্রীড়া/অনুষ্ঠান অন্যান্য সাহিত্য সম্পাদকীয় নোটিশবোর্ড

E-Paper

পূর্ত দপ্তরের দায়সারা অপরিকল্পিত কাজের জন্যই কি ঘাটালের ঢলগড়ায় বৃষ্টির জল পিচরাস্তা ছাপিয়ে পাশ হচ্ছে?

Published on: September 16, 2021 । 6:37 AM

মনসারাম কর, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: বৃষ্টির তোড়ে ডুবে গেল ঘাটাল ব্লকের সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢলগড়া সংলগ্ন বিঘার পর বিঘা জমির ধান। পিচরাস্তা ছাপিয়ে জল যাচ্ছে এক দিক থেকে অন্যদিকে। জলমগ্ন হয়েছে এখানকার বেশ কয়েকটি দোকানঘর ও বসতবাড়ি। কিন্তু তুলনামূলক উঁচু এলাকা হওয়ার পরেও কেন এমন হল? স্থানীয়রা জানান এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী পূর্ত দপ্তেরের অপরিকল্পিত দায়সারা কাজ। স্থানীয়দের মধ্যে বিমান ঘোষ সহ অন্যান্যরা জানান ঢলগড়া পিচরাস্তার নিচে জল পাশের জন্য একটি কালভার্ট বসনো ছিল। সেই কালভার্ট ভেঙে রাস্তা গর্ত হয়ে যায়। পুর্ত দপ্তর সেই কালভার্ট মেরামত না করেই মোরাম বোল্ডার দিয়ে সেই গর্ত পেশাই করে দিয়েছে, ফলে জলপাশের কালভার্ট অকেজো হয়ে গিয়ে বৃষ্টির জল ক্ষেতের মধ্যেই জমে থেকে যাচ্ছে। নষ্ট হতে বসেছে বিঘার পর বিঘা জমির ধান। ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় অন্য এক বাসিন্দা বলেন, সরকার যখন দুয়ারে রেশন নিয়ে ছুটছে তখন সরকারেরই দায়সারা কাজে নষ্ট হচ্ছে জমির ধান, এ কেমন উন্নয়ন? প্রসঙ্গত কয়েকমাস আগে ঢলগড়া তেমাথা মোড়ে পিচরাস্তার মাঝে একটি বাঁশ দাঁড় করানো থাকতে দেখা যেত। বাঁশের ডগায় লাল সিগনাল। এই স্থানেই কালভার্ট ভেঙে বসে গেছিল রাস্তা। অনেক দিন এই অবস্থায় পড়ে থাকলেও কালভার্টের পূর্ণ মেরামত করেনি পূর্ত দপ্তর। পরে আগাগোড়া না ভেবেই বোল্ডার মোরাম দিয়ে পেশাই করে সমান করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় রাস্তা। যদিও সেখানে এখনও গর্তই থেকে গেছে। পূর্ত দপ্তরের এই দায়সারা কাজে ক্ষোভ রয়েছে এলাকায়। গত কাল ১৫ সেপ্টেম্বর ঢলগড়া পরিদর্শন করেন ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি দিলীপ মাজি, সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান বিশ্বজিৎ বারিক সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তাঁরা।

নিউজ ডেস্ক

‘স্থানীয় সংবাদ’ •ঘাটাল •পশ্চিম মেদিনীপুর-৭২১২১২ •ইমেল: [email protected] •হোয়াটসঅ্যাপ: 9933998177/9732738015/9932953367/ 9434243732 আমাদের এই নিউজ পোর্টালটি ছাড়াও ‘স্থানীয় সংবাদ’ নামে একটি সংবাদপত্র, MyGhatal মোবাইল অ্যাপ এবং https://www.youtube.com/SthaniyaSambad ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে।