কেয়া মণ্ডল চৌধুরী, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: নির্দেশিকা আছে, নিষেধাজ্ঞাও আছে। তবু শব্দের দাপট থামছে না। রবিবার রাতে তারই ফের নজির ঘাটাল শহরের কোন্নগর এলাকায়। ঘাটাল থানা থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে, পিপলস ব্যাঙ্কের কাছে মধ্যরাত পর্যন্ত চলল ডিজে ও তাসার তাণ্ডব।
সেখানেই থাকেন ঘাটাল আদালতের ৭৪ বছরের প্রবীণ আইনজীবী দেবপ্রসাদ পাঠক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বাড়িতে ৯৩ বছরের বৃদ্ধা মা। স্ত্রীও গত ১৩ বছর ধরে ‘ভেজিটেটিভ স্টেজ’-এ শয্যাশায়ী। অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে তাঁদের বাড়ির সামনেই শুরু হয় তারস্বরে ডিজে। অতিষ্ঠ হয়ে ওসিকে ফোন করেন আইনজীবী। তাতে মাত্র ১০ সেকেন্ডের জন্য শব্দ থামলেও কিছুক্ষণ পর ফের শুরু হয় কানফাটানো তাসা।
রাত ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চলে সেই শব্দদাপট। শেষপর্যন্ত নিরুপায় হয়ে পুলিশ সুপারকেও বিষয়টি জানান ওই প্রবীণ আইনজীবী। খোদ থানার এত কাছে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে পুলিশি নজরদারি ও সদিচ্ছা নিয়ে। আর আইনজীবীর আক্ষেপ—‘কিছুই হবে না জানি।’ এই একটি বাক্যই যেন বলে দিচ্ছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কাছে নীচুতলায় প্রশাসনিক নির্দেশিকা কতটা অসহায় হয়ে পড়েছে।
ঘাটাল থানার নাকের ডগায় মধ্যরাত পর্যন্ত ডিজে, অসহায় প্রবীণ আইনজীবী







