নিজস্ব সংবাদদাতা :ঘাটাল মহকুমায় ৭০টি ভুয়ো শংসাপত্রের হদিশ পাওয়া গেল। তারমধ্যে ঘাটালে ৪৮টি এবং দাসপুর-২ ব্লকে ২২টি। উল্লেখ্য, জন্ম-শংসাপত্রের পুনর্যাচাই শুরু হতেই এই জেলায় তিনশোরও বেশি ভুয়ো শংসাপত্রের সন্ধান মিলেছে। সূত্রের খবর, মোট ২১টি ব্লকের মধ্যে ১৩টিতে এবং সাতটি পুরসভার মধ্যে পাঁচটিতেই এই ভুয়ো শংসাপত্র মিলেছে। ঘাটাল ও দাসপুর-২ ব্লকের পাশাপাশি ডেবরায় ৬৮টি, গোয়ালতোড়ে ৪৬টি, খড়্গপুর-২ ব্লকে ৩১টি, দাঁতন-২ ব্লকে ১৩টি এবং কেশিয়াড়িতে ১৩টি ভুয়ো জন্ম-শংসাপত্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। পুরসভাগুলির মধ্যে চন্দ্রকোনায় ১৮টি, ক্ষীরপাইয়ে ৭টি, খড়্গপুরে ৫টি, খড়ারে ৫টি এবং ঘাটাল পুরসভায় ৩টি ভুয়ো শংসাপত্র মিলেছে।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে ১৪ মে ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়া জন্ম-শংসাপত্রগুলির পুনর্যাচাই চলছে। জানা গিয়েছে, জন্মের এক বছরের মধ্যে দেওয়া ২২,৫৬০টি শংসাপত্রের মধ্যে ২১,৯৮২টির পুনর্যাচাই হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪৩টি ভুয়ো বা নকল। অন্যদিকে, জন্মের এক বছরের পরে দেওয়া ১,৪৪০টি শংসাপত্রের মধ্যে ১,৪৩১টির পুনর্যাচাই সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে ১৮টি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এর সময়ই এই বিস্তর গরমিল সামনে আসে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, এই সমস্ত ভুয়ো জন্ম-শংসাপত্র বাতিল করা হবে। পাশাপাশি কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশও রয়েছে। ভুয়ো শংসাপত্র মেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার সহ জড়িত অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর দায়ের করতে হবে। প্রয়োজনে আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই ভুয়ো শংসাপত্রের ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়ে পুরসভা ও ব্লকগুলির কাছ থেকে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ তলব করেছে জেলা প্রশাসন।
ঘাটাল মহকুমায় ৭০টি ভুয়ো জন্ম-শংসাপত্রের হদিশ, কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ






