এই মুহূর্তে ক্রীড়া/অনুষ্ঠান অন্যান্য সাহিত্য সম্পাদকীয় নোটিশবোর্ড

E-Paper

ভাঙা ছাউনির নিচেই শিশুদের পড়াশোনা, সেখানেই রান্না—ঝুঁকির মধ্যেই চলছে ICDS কেন্দ্র

Published on: August 1, 2026 । 3:08 PM

কেয়া মণ্ডল চৌধুরী, স্থানীয় সংবাদ, ঘাটাল: একদিকে ভাঙা অ্যাসবেস্টসের ছাউনি, অন্যদিকে অচল শৌচালয়। এই পরিবেশেই প্রতিদিন পড়তে আসে ছোট ছোট শিশুরা। এখানেই রান্না হয় তাদের পুষ্টিকর খাবার।  দাসপুর-১ ব্লকের ধর্মা দক্ষিণপাড়া ১৫৬ নম্বর ICDS কেন্দ্রের এই ছবি প্রশ্ন তুলছে—শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ কি শুধুই কাগজে-কলমে?

বর্ষা নামলেই ভাঙা ছাউনি দিয়ে টুপটাপ জল পড়ে। সেই অবস্থাতেই চলে পড়াশোনা, চলে রান্নার কাজ। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকেরা।অভিভাবক নবীনা দোলুই সরকার বলেন, বাচ্চাদের এই ভাঙা ছাউনির নিচেই পড়তে হয়। বৃষ্টি হলেই জল পড়ে। আমরা চাই, দ্রুত কেন্দ্রটি সংস্কার করা হোক।শুধু তাই নয়, কেন্দ্রে শৌচালয় থাকলেও তা ব্যবহার করার মতো অবস্থায় নেই। ফলে প্রতিদিন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ছোট ছোট শিশুদের।এই প্রসঙ্গে অভিভাবক বিবেকানন্দ জানা বলেন, শৌচালয় থাকলেও ব্যবহার করা যায় না। ছোট ছোট বাচ্চাদের খুব অসুবিধা হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।আর এক অভিভাবকের কথায়, এই পরিবেশে বাচ্চাদের রাখা নিরাপদ নয়। শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা দরকার এবং শিশুরা যাতে পুষ্টিকর খাবার পায় সেই দিকেই নজর দেওয়া দরকার।কর্মী ময়না দোলই বলেন, ভাঙা ছাউনি ও পর্যাপ্ত কর্মী না থাকলেও আমরা পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। শিশুদের স্বার্থে দ্রুত পরিকাঠামোর উন্নতি হওয়া প্রয়োজন। আমরা  এই ব্যাপারটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং শেখার অধিকার রয়েছে। তাই এলাকাবাসীর দাবি, কোনও বড় দুর্ঘটনার অপেক্ষা না করে দ্রুত কেন্দ্রটির ভাঙা ছাউনি মেরামত, শৌচালয় সংস্কার এবং কর্মী সংকট দূর করুক প্রশাসন। কারণ, অবহেলার ভার সবচেয়ে বেশি সইতে হচ্ছে সেই ছোট ছোট শিশুদেরই, যাদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সকলের।

কেয়া মণ্ডল চৌধুরী

আমার শিকড় ঘাটালে, আর আমার লেখার মূল বিষয় এখানকার সাধারণ মানুষ। তাঁদের জীবনের না-বলা কথাগুলো সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া এলাকার যেকোনো খবর জানাতে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন ৮৯০০০২০০০১ নম্বরে।